History



১৯৭২ সালে নওগাঁ জেলার রাণীনগর থানায় উচ্চশিক্ষার প্রথম ও উত্তরবঙ্গের একমাত্র কলেজ যাহা শের--বাংলা এ, কে, ফজলুল হক স্মরণে উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান জনাব আব্দুল জলিল(সংসদ সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী) এর সভাপতিত্ত্বে জনাব আমজাদ হোসেন(প্রধান শিক্ষক, রাণীনগর পাইলট স্কুল) কে সদস্য সচিব হিসাবে এবং কতিপয় বরেণ্য ব্যক্তিদের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় শের--বাংলা মহাবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়যাদের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় শের--বাংলা মহাবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁরা হলেন মাওলানা খন্দকার আশরাফ আলী রাণীনগরী, আছির উদ্দীন মোল্লা চুনিয়াগাড়ী, দেলওয়ার হোসেন খন্দকার(প্রথম অধ্যক্ষ), এ্যাডভোকেট মেসের উদ্দীন আহমেদ, মোসলেউদ্দীন বাহাদুরপুর, আব্দুর রাজ্জাক খান, মো: আবুল কাশেম, মো: খলিলুর রহমান খলিলপ্রমুখপ্রথমদিকে নানাবিধ সীমাবদ্ধতা ও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হয়
পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ গঠিত হওয়ার পর তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান কে. সি. মশিউর রহমান(বাচ্চু চৌধুরী), উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাদী, কাজী তোজাম্মেল হোসেন(তোজামকাজী) ইনতুল্লাহ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক শামসুল হক কোরায়েশী, মো: খলিলুর রহমান খলিল সাহেবদের সহযোগীতায় কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় এবং ১৯৮৬ সালে এমপিও ভূক্ত হয়১৯৯৪ সালে এডিবির অর্থায়নে উচ্চ মাধ্যমিক প্রকল্পের অধীনে ত্রিতল ভবন স্থাপিত হয়২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ হতে উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শাখায় কম্পিউটার সায়েন্স ও সেক্রেটারিয়েল সায়েন্স ট্রেড চালু হয় এবং এডিবি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রকল্পের শর্তথাকায় পরবর্তীতে ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে শর্ত উত্তীর্ণে স্নাতক(পাস) বি., বি.এস.এস চালু হয়
নব্বই দশকের প্রথম হইতে সংসদ সদস্যদের সভাপতিত্বে মহাবিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে (১৯৯১-২০০৬) সাল পর্যন্ত জনাব আলমগীর কবির সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সভাপতি ছিলেন, ২০০৯ সাল হতে বর্তমান পর্যন্ত জনাব মো: ইসরাফিল আলম সংসদ সদস্য ও সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন. সভাপতি, সাধনা সংসদ. সদস্য, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) পরিচালনা পর্ষদ, ঢাকা. সদস্য, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী(বার্ড) পরিচালনা পর্ষদ, কুমিল্লা. এর সভাপতিত্বে কলেজটি পরিচালিত হয়ে আসছে

No comments:

Post a Comment